ছবি আসল না এআই—বুঝবেন কিভাবে
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
ডিজিটাল দুনিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির ফলে আসল ছবি বা ভিডিও এবং এআই-তৈরি কনটেন্ট আলাদা করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কনটেন্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন একটি যাচাই সুবিধা চালু করেছে গুগল, যা ব্যবহারকারীদের সহজেই বুঝতে সাহায্য করবে কোনো ছবি বা ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না।
এই সুবিধা ব্যবহার করে এখন জেমিনি অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি ছবি বা ভিডিও আপলোড করে যাচাই করা যাবে। গুগলের বিশেষ ওয়াটারমার্কিং প্রযুক্তি সিনথআইডি এ ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখছে। এই প্রযুক্তি এআই-তৈরি কনটেন্টের ভেতরে অদৃশ্য ডিজিটাল চিহ্ন যুক্ত করে, যা সাধারণ চোখে দেখা যায় না কিন্তু বিশেষ স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব।
যাচাই প্রক্রিয়াটি সহজ। ব্যবহারকারী প্রথমে জেমিনি অ্যাপের সর্বশেষ সংস্করণ খুলে কাঙ্ক্ষিত ছবি বা ভিডিও আপলোড করবেন। ভিডিও ফাইলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ এমবি সাইজ ও ৯০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্য সমর্থিত। এরপর শুধু প্রশ্ন করতে হবে— কনটেন্টটি এআই দিয়ে তৈরি কি না। জেমিনি তখন ফাইল স্ক্যান করে জানাবে এতে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক রয়েছে কি না। ভিডিও হলে অডিও ও ভিজ্যুয়াল—উভয় অংশ বিশ্লেষণ করা হয়, এবং প্রয়োজনে নির্দিষ্ট অংশও চিহ্নিত করে দেয়।
আরও দেখুন:- ভারতের এক অনন্য ঘটনা: নামাজরত মুসলিম শিক্ষার্থীদের মানবঢাল হিন্দু সহপাঠীদের!!
প্রযুক্তিটি এমনভাবে তৈরি যে ক্রপ, ফিল্টার, কমপ্রেশন বা ফ্রেমরেট পরিবর্তনের পরও ওয়াটারমার্ক শনাক্ত করা সম্ভব। ফলে কনটেন্ট পরিবর্তন করেও উৎস গোপন করা কঠিন হবে।
গুগল জানিয়েছে, ২০২৩ সালে চালুর পর থেকে ইতোমধ্যে ২০ বিলিয়নের বেশি এআই-তৈরি কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক যুক্ত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ অনলাইন ভুয়া তথ্য, ডিপফেক এবং বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট শনাক্তে বড় ভূমিকা রাখবে এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার

Comments
Post a Comment