ছবি আসল না এআই—বুঝবেন কিভাবে

Image
ছবি: সংগৃহীত ডিজিটাল দুনিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির ফলে আসল ছবি বা ভিডিও এবং এআই-তৈরি কনটেন্ট আলাদা করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কনটেন্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন একটি যাচাই সুবিধা চালু করেছে গুগল, যা ব্যবহারকারীদের সহজেই বুঝতে সাহায্য করবে কোনো ছবি বা ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না। এই সুবিধা ব্যবহার করে এখন জেমিনি অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি ছবি বা ভিডিও আপলোড করে যাচাই করা যাবে। গুগলের বিশেষ ওয়াটারমার্কিং প্রযুক্তি সিনথআইডি এ ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখছে। এই প্রযুক্তি এআই-তৈরি কনটেন্টের ভেতরে অদৃশ্য ডিজিটাল চিহ্ন যুক্ত করে, যা সাধারণ চোখে দেখা যায় না কিন্তু বিশেষ স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব। যাচাই প্রক্রিয়াটি সহজ। ব্যবহারকারী প্রথমে জেমিনি অ্যাপের সর্বশেষ সংস্করণ খুলে কাঙ্ক্ষিত ছবি বা ভিডিও আপলোড করবেন। ভিডিও ফাইলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ এমবি সাইজ ও ৯০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্য সমর্থিত। এরপর শুধু প্রশ্ন করতে হবে— কনটেন্টটি এআই দিয়ে তৈরি কি না। জেমিনি তখন ফাইল স্ক্যান করে জানাবে এতে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক রয়েছে কি না। ভিডিও হলে অডিও...

সরকারের নতুন ঘোষণা: কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু হচ্ছে

 

সরকার কৃষকদের জন্য নতুন একটি উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে, যা দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন ও কৃষকদের সরাসরি সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আদলে চালু হতে যাওয়া এই ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের একটি সমন্বিত পরিচয় ও সুবিধা ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুব শিগগিরই একটি পাইলট প্রকল্প শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।

আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জানান, কৃষক কার্ড চালুর বিষয়টি তাদের দীর্ঘদিনের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগটি শুধু একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং কৃষকদের প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য একটি কাঠামোগত ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা।

Click here:- ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা দাবি করলে কি করবেন? 

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যত দ্রুত সম্ভব পাইলট প্রকল্প চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যদিও সুনির্দিষ্ট সময় এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। কারণ, এমন একটি উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও কারিগরি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। তবে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে তৎপর থাকতে হবে।

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষকদের তথ্যভিত্তিক একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেস তৈরি হবে এবং তারা সহজেই সরকারি সহায়তা, ভর্তুকি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পেতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে কৃষি খাত আরও গতিশীল হবে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Comments

Popular posts from this blog

এপস্টাইন ফাইলে পাওয়া গেলো যেইসব প্রভাবশালী বেক্তির নাম

মোংলা বন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে সরকারের মহাপরিকল্পনা

সতর্কবার্তা: আজ ২ ঘণ্টা বন্ধ থাকতে পারে মোবাইল নেটওয়ার্ক, জেনে নিন কারণ!!