ছবি আসল না এআই—বুঝবেন কিভাবে

Image
ছবি: সংগৃহীত ডিজিটাল দুনিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির ফলে আসল ছবি বা ভিডিও এবং এআই-তৈরি কনটেন্ট আলাদা করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কনটেন্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন একটি যাচাই সুবিধা চালু করেছে গুগল, যা ব্যবহারকারীদের সহজেই বুঝতে সাহায্য করবে কোনো ছবি বা ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না। এই সুবিধা ব্যবহার করে এখন জেমিনি অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি ছবি বা ভিডিও আপলোড করে যাচাই করা যাবে। গুগলের বিশেষ ওয়াটারমার্কিং প্রযুক্তি সিনথআইডি এ ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখছে। এই প্রযুক্তি এআই-তৈরি কনটেন্টের ভেতরে অদৃশ্য ডিজিটাল চিহ্ন যুক্ত করে, যা সাধারণ চোখে দেখা যায় না কিন্তু বিশেষ স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব। যাচাই প্রক্রিয়াটি সহজ। ব্যবহারকারী প্রথমে জেমিনি অ্যাপের সর্বশেষ সংস্করণ খুলে কাঙ্ক্ষিত ছবি বা ভিডিও আপলোড করবেন। ভিডিও ফাইলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ এমবি সাইজ ও ৯০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্য সমর্থিত। এরপর শুধু প্রশ্ন করতে হবে— কনটেন্টটি এআই দিয়ে তৈরি কি না। জেমিনি তখন ফাইল স্ক্যান করে জানাবে এতে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক রয়েছে কি না। ভিডিও হলে অডিও...

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

 মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেনঃ-

“মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আমাদের মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 


আজকের এই দিনে, আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদকে, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা।


একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। ১৯৫২ সালের এদিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে শহীদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ আরও অনেকে। তাদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে রচিত হয় শত বছরের শাসন ও শোষণে জর্জরিত তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার এই আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাই করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে করেছে আরো মজবুত ও সুদৃঢ়। 


একুশের এই রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা।


বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার জন্য আমাদের ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে "আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস" হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।


গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এ চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম পার হয়ে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। 

আমরা ভাষা শহীদ এবং ৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন ও ২০২৪ এর স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ এ যাবতকালে দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ, মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই।


আজকের এই দিনে আমি বিশ্বজুড়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষাসমূহের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে কাজ করার জন্য সংশ্লষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাই। আসুন, আমরা দেশে বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্যকে সংরক্ষণ করি, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করি।


আমি সকল ভাষা শহীদের মাগফিরাত কামনা করি।


আমি মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচীর সফলতা কামনা করি।”

Comments

Popular posts from this blog

এপস্টাইন ফাইলে পাওয়া গেলো যেইসব প্রভাবশালী বেক্তির নাম

মোংলা বন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে সরকারের মহাপরিকল্পনা

সতর্কবার্তা: আজ ২ ঘণ্টা বন্ধ থাকতে পারে মোবাইল নেটওয়ার্ক, জেনে নিন কারণ!!